বাচ্চাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ২০ টি ঘরোয়া উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্য বিরক্তিকর সমস্যা, শুধু বয়োজ্যেষ্ঠদেরই নয়, বাচ্চাদেরকে সমস্যায় পড়তে হয় মাঝে মাঝে। এই সমস্যায় যেসব বাচ্চারা ভোগেন তাদের সপ্তাহে দুইবারের কম পায়খানা হয়।

বাচ্চাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ২০ টি ঘরোয়া উপায়

যার ফলে মল শক্ত হয়ে যায়। মলত্যাগ করার সময় তারা  কষ্ট পায়। এমনকি এই কারণে তাদের পিছু নেয় গ্যাস। এসিডিটির মতো সমস্যা 

পোস্ট সূচীপত্রঃ বাচ্চাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ঘরোয়া ২০ টি উপায় জেনে নিন 

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায়

শিশুর পেট খারাপ যেমন চিন্তার কারণ, তেমনি কোষ্ঠকাঠিন্য অনেক সময় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একটি শিশু যদি নিয়মিত মলত্যাগ না হয়, বা মল শক্ত হয়ে যায় এবং বাচ্চা কষ্ট পায়, তবে তা কোষ্ঠকাঠিন্য হিসেবে চিহ্নিত হয়। দিন দিন শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার প্রবণতা বেড়েই চলেছে। জাঙ্ক ফুড, গরুর দুধ, ও কম হওয়ার সুযোগ তো খাবার গ্রহণের ফলে এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘ সময় মল আটকে রাখার ফলেও এই সমস্যা হয়ে থাকে।


নিয়মিত শিশুর মাল তাক না করা এবং বাবা মায়ের অসচেতনতা অনেকাংশে দায়ী। গবেষণায় বলছে, বাংলাদেশের শিশুদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। স্কুল গ্রামের শিশুদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের পাদুর্ভাব প্রায় ১৯% এবং কার্যকরী কোষ্ঠকাঠিন্যের হার প্রায় 11 পার্সেন্ট। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, কোষ্ঠকাঠিন্য আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ৭২.৬৩% কম ফাইবারযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করে, ৩২.৯৬ পার্সেন্ট গরুর দুধ সেবন করে, এবং ২৮.৪৯ পার্সেন্ট জাঙ্ক ফুড খায়।

এছাড়াও স্কুলে অপর্যাপ্ত বা অস্বাস্থ্যকর টয়লেট সুবিধা এবং দীর্ঘ সময় ধরে একাডেমিক কার্যক্রমে ব্যস্ততা কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাব্য কারণে হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ কারণেই শিশুর কষ্ট কাঠিন্য নিয়ে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তায় থাকেন। তবে চিন্তার কিছু নেই, শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চললে ইনশাল্লাহ শিশুর কষ্ট কাটেন না দূর হয়ে যাবে।

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্যর লক্ষণ

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য বেশ যন্ত্রণাদায়ক ও অস্বস্তিকর। শিশুর এই পরিস্থিতি থেকে দ্রুত পরিত্রাণের জন্য প্রয়োজন কোষ্ঠকাঠিন্যর লক্ষণ গুলো ভালোভাবে বুঝতে পারা। এখানে শিশুর কষ্ট কাটানো চিহ্নিত করার কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ উল্লেখ করা হলোঃ
  • সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ করা 
  • মূল শক্ত বা পাথরের মত হওয়া 
  • মলত্যাগের সময় ব্যথা পাওয়া বা কান্না করা 
  • পেট ফাঁপা বা ফুলে থাকা 
  • খাওয়ার ইচ্ছা কমে যাওয়া 
  • ঘন ঘন পেটব্যথা 

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্যর কারণ

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয়, সেজন্য বাবা মাকে জানতে হবে ঠিক কি কারণে শিশুর কষ্ট কাটানো হয়ে থাকে। শিশুর সঠিক পরিচর্যা ও মা বাবার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এখানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারণ উল্লেখ করা হচ্ছে। চলুন জেনে নেয়া যাকঃ
  • খাদ্যাভাস পরিবর্তনঃ শিশুর ডায়েটে ফাইবার কম থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে ।
  • পর্যাপ্ত পানি না খাওয়াঃ ডিহাইড্রেশন বা পানি কম খাওয়ার কারণে মল শক্ত হয়ে যায় 
  • দুধের পরিবর্তনঃ মায়ের বুকের দুধ থেকে ফর্মুলা বা গরুর দুধে পরিবর্তন অনেক সময় কষ্ট কাটানোর কারণ হয়। 
  • টয়লেটের ভয় বা অনিহাঃ  অনেক শিশুর টয়লেট যেতে ভয় পায় বাবা সত্তা করে ধরে রাখে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। 
  • মানসিক চাপ বা নতুন পরিবেশে থাকা। 

শিশুর কষ্ট পাঠানোর দূর করার ঘরোয়া কিছু কার্যকর উপায়

শেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্য পুরোপুরি নির্ভর করে জীবন যাপনের পদ্ধতি ও খাদ্যাভ্যাস এর উপর। এখানে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার কিছু কার্যকরী ঘরোয়া টিপস শেয়ার করছি:

পানি খাওয়ান বেশি করে 

বাচ্চারা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না খেলে তার মল শক্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়বে। তাই সন্তানকে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করান। বাচ্চা যদি একবারে অনেকটা পানি খেতে না চাই তাহলে অল্প অল্প করে বারেবারে খাওয়ান। এতে দ্রুত কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সরে উঠবে বাচ্চা। এমনকি তার হজম জনিত সমস্যা ও আর হবে না। 

ডালিয়া, ওটস থাকুক ডায়েটে

এই সমস্যা থেকে সন্তানকে মুক্তি দিতে চাইলে তাদের নিয়মিত খাওয়াতে হবে ডালিয়া এবং ওটস। কারণ, এই দুই খাবারে রয়েছে ফাইবারের ভান্ডার। এই উপাদান মলকে নরম করতে সাহায্য করে। ফলে পেট পরিষ্কার হতে সময় লাগবে না। সেই সঙ্গে গ্যাস, এসিডিটি থেকে শুরু করে পেট ফেপে থাকার মত সমস্যা থেকেও মিলবে মুক্তি। 

শাক, সবজিতে রাখুন ভরসা

বাচ্চাদের ছোট থেকেই শাক, সবজি খাওয়ানো শুরু করতে হবে। এই ধরনের খাবারে উপস্থিত ভাইবারও সন্তানদের পেটের হাল ফেরাতে পারে। যার ফলে মল নরম হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সহজেই সেরে ওঠা যায়। শুধু তাই নয়, এসব খাবারে উপস্থিত ভিটামিন ও খনিজের গুণে সন্তানের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি মিটে যায়। সেই সঙ্গে বারে ইমিউনিটি। তাই সন্তানকে রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক ওসবজি খাওয়ানো উচিত। 

লেবু জল খাওয়াতে ভুলবেন না

অত্যন্ত উপকারী একটি পানীয় হল লেবুর শরবত। এতে এমন কিছু বাদাম রয়েছে যা অন্ত্রের মলের গতিবিধি বাড়ায়। শুধু তাই নয়, নিয়মিত লেবু পানি খেলে মল নরম হয়ে যায়। যার ফলে কমে কোষ্ঠকাঠিন্য। এর পাশাপাশি এই পানিও খেলে বাচ্চার শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি পৌঁছে যায়। আর এই ভিটামিন ইমুনিটি বাড়ানোর কাজে একই একাই একশ। 

যা খাওয়াবেন না

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে চাইলে বাচ্চাকে কোনমতেই ফাস্টফুড খাওয়াবেন না। এর পাশাপাশি তাকে খেতে দেবেন না কোল্ড ড্রিঙ্কস, চিপস, খাসির মাংস এবং ময়দার তৈরি কোন খাবার। আশা করছি এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই তার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা মিটে যাবে।

খাবারে ডায়েটারি ফাইবার বাড়ান

বাচ্চাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ২০ টি ঘরোয়া উপায়

খাবারের তালিকায় ডায়েটারি ফাইবার বাড়ানোর শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ন্যূনতম কার্যকর উপায়। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন দানা শস্য, ফলমূল এবং শাক সবজি তার খাদ্য তালিকায় যোগ করুন। ফাইবার মল বৃদ্ধি করে, মলত্যাগের উন্নত করে। ফাইবার সমৃদ্ধ স্নাক্স যেমন টুকরো করা আপেল, নাশপতি বা গাজর এক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ফাইবার সমৃদ্ধিও তৈরি করতে পারে। কলা এবং স্ট্রবেরি মত ফল দই এবং এক চা চামচ চিয়া সীডের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। পানিওটি আপনার শিশু উপভোগ করবে এবং এটি তারমলত্যাগের উন্নতি করবে। 

হাইড্রেটেড রাখুন 

ডিহাইডেশন কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে তুলতে পারে। আপনার শিশু  সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখুন। হাইড্রেশন নরম করতে সাহায্য করে, মলত্যাগ করার সহজ করে তোলে। পানি, তাজা ফলের রস, লেবুর শরবত, ডাবের পানি ইত্যাদি তার হাইড্রোশনের মাত্রা সাহায্য করবে। 

ত্রিবায়োটিক খাবার দিন

ত্রিবায়োটিক পাচনতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং স্বাস্থ্যকর মন্ত্র বজায় রাখতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে দই হতে পারে একটি কার্যকারী খাবার। এর উপকারী মনোজিৎ আপনার সন্তানের পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।শিশু যদি সাধারণ দই খেতে না চায় তাহলে তাকে সবজির রায়তা বা ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।

শারীরিক কার্যক্রম বা হালকা ব্যায়াম

শারীরিক কার্যক্রম শিশুর পরিপাক ক্রিয়াকে গতিশীল করে। শারীরিক কার্যক্রমের অংশগ্রহণ হিসেবে শিশুর নিয়মিত খেলাধুলা করা উচিত। যদি শিশুর বয়স এক বছরের কম হয় তাহলে বাবা-মাকে সাহায্য করতে হবে। শিশুর হাত পা নাড়াচাড়া করুন। শিশু শুয়ে থাকলে তার পা দুটোকে ধীরে ধীরে সাইকেল চালানোর মতো করতে পারেন। সারাদিনে কমপক্ষে এক ঘন্টা হলেও শিশু যেন শারীরিক কার্যক্রম করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। 

কুসুম গরম পানিতে গোসল

এক সময় শিশুকে কুসুম গরম পানিতে গোসল করাতে পারেন। এতে পেটের পেশি রিলাক্স হবে এবং পরিপাক ক্রিয়া স্বাভাবিক হবে। এছাড়া এটি তাকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিবে। 

অধিক পরিমাণে পানি পান করানো

পানির খাবার হজমে সহায়তা করে, পানি খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয় এবং শরীর নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে সহজেই। ছয় মাসের পর থেকে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করানোর চেষ্টা করুন।

আঁশযুক্ত খাবার

৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর হাসতে হাসতে শিশুকে সলিড ফুডে অত্যন্ত অভ্যস্ত করতে হবে। শিশুর খাদ্য তালিকায় আঁশ জাতীয় খাবার রাখুন। খাদ্যের আঁশ অংশটুকু হজম না হওয়ার কারণে এগুলো পরিপাকতন্ত্রের বেশ কিছু যদি অংশ শোষণ করে ধরে রাখে এবং এটি জলীয় অংশসহ মলের সাথে বের হয়ে আসে যা কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। তাই শিশুর খাবারের শাক, মিষ্টি আলু, কলমি শাক, পুদিনা পাতা, পুঁইশাক, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, কাঁচা পেঁপে ইত্যাদি খাবার রাখুন। 

পেট ম্যাসাজ

শিশুর পেটে আলতো ভাবে ম্যাসাজ করতে পারেন। যেমন আঙ্গুলের মাথা দিয়ে ঘড়ির কাটার প্যাটার্নের পেটের ওপর হাত ঘোরাতে থাকুন। শিশুর পা দুটি একসাথে ধরে পেটের দিকে আস্তে আস্তে ঠেলে দিন। এই মেসেজগুলো শিশুর গ্যাসের ব্যথা কমাতে দারুন কাজ করে। 
বাচ্চাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ২০ টি ঘরোয়া উপায়

ফলের রস

শিশুর বয়স ছয় মাস হলে তাকে অল্প পরিমাণে ফলের জুস দিন। বাজারের কেনা ফলের জুস নয়, ঘরের তৈরি একদম ফ্রেশ ফলের জুস দিন। দুই থেকে ৪ আউন্স অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দিতে হবে। ফলের রস শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। 

নিয়মিত মলত্যাগের অভ্যাস

শিশুর নিয়মিত মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তুলুন। যখন সে আপনার কথার রেসপন্স করতে শিখে যাবে বা বুঝতে শিখবে সেই সময়ই পটির ড্রেইন করিয়ে ফেলুন। শিশু পটিতে বসতে না চাইলে তাকে বকা না দিয়ে বুঝিয়ে এবং পরিষ্কার পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যমে তাকে উৎসাহিত করুন। শিশু যদি কোন নির্দিষ্ট বাথরুমে যেতে পছন্দ করে তবে তাকে সেই সুযোগ দেন। 

জাঙ্ক ফুড এবং বেশি পরিমাণে মাংস জাতীয় খাবার না খাওয়ানো

কিছু যেন অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এবং মাংস জাতীয় খাবার খাওয়াতে অভ্যস্ত হয়ে না পড়ে, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য এর অন্যতম একটি কারণ হলো জাঙ্কফুট। কলিজা, বিফ, মাটন এগুলো পরিমিত পরিমাণে খাওয়াবেন, ঠিকমতো হজম হচ্ছে কিনা সেটাও খেয়াল রাখবেন। কন্সটিপেশন হলে রেড মিট এভয়েড করে বাচ্চাকে পেঁপের পিউরি পাকা কলা এবং সহজপাঠ্য খাবার খেতে দিন। 

শেষ কথা

শিশু যদি বুকের দুধের উপর নির্ভর থাকে। তবে মায়ের খাবারে পরিবর্তন আনতে হবে। বেশি পরিমাণে শাক-সবজি ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। মাংস জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। বাইরের তেল মসলা দেওয়া গরু পাক খাবার থেকে দূরে থাকুন। নতুন মায়েরা আজকে আর্টিকেল থেকে অনেক কিছু জানতে পারলেন আশা করি।  কোন স্পেসিফিক ফর্মুলা দুধ যদি আপনার বেবির কোটি টাইট করে দেয় বাস ঠিকভাবে হজম না হয়, সেটা খাওয়ানো বন্ধ করে দিন বা ফর্মুলা দুধ চেঞ্জ করে দেখুন।

ইসুবগুলের ভুষি পেট নরম করে। তাই শিশুর রাতে খাওয়ার পর গরম দুধে ইসুবগুলের ভুষি মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। এটি শিশুর মলত্যাগকে সহজ করবে। তবে ছয় মাস পর্যন্ত শিশুর জন্য শুধুই মায়ের বুকের দুধই একমাত্র খাদ্য। ঘরোয়া এই উপায়গুলোতে যদি শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর না হয়, তাহলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। মা বাবার সচেতনতাই পারে শিশুকে এর সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি দিতে
 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url