কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

আরো পড়ুনঃ  কলার মোচার ১৫ টি উপকারিতা ও অপকারিতা 

কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। হাঁস-মুরগির ডিমের পাশাপাশি কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুনে ভরপুর। কোয়েল পাখির ডিম নিঃসংকোচে যেকোনো বয়সের মানুষ খেতে পারে। কোয়েল পাখির ডিমের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নাই তাই নির্ভয়ে কোয়েল পাখির ডিম খান। 

কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

দামে কম এবং স্বাস্থ্যসম্মত তাই কোয়েল পাখির ডিম যে কেউ খেতে পারে। আপনি চাইলে বাসায় কোয়েল পাখির পালন করতে পারেন। কোয়েলের ডিম আকারে ছোট হলেও পুষ্টিগুনে কিন্তু ভরপুর। ছোট বাচ্চারা কোয়েল পাখির ডিম খেতে খুব পছন্দ করে। আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে। 

পেজ সূচিপত্রঃ কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ

কোয়েল পাখির ডিম আকারে ছোট হলেও এর পুষ্টিগুণ কিন্তু অনেক বেশি। নিজেকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন তিন থেকে চারটি কোয়েলের পাখির ডিম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। তাছাড়া কোয়েল পাখির ডিম শারীরিক সমস্যার সমাধান হিসেবে কাজ করে। চলুন জেনে আসি কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টি গুনাগুন সম্পর্কে। 

প্রোটিনঃ 

কোয়েল পাখির ডিমে রয়েছে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন। যা আপনার শরীরের প্রোটিনের অভাব দূর করতে সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম কোয়েলের ডিমের রয়েছে প্রায় ১৩ গ্রাম প্রোটিন। যা আপনাদের কোষের গঠন, হয় রোদ পূরণ করে এবং পেশী বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। 

ভিটামিনঃ 

কোয়েল পাখির ডিমে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন ১২, ভিটামিন ডি রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। শুধু ভিটামিন নয় আরো রয়েছে মিনারেলস ও খনিজ, ফসফরাস, আইরন, পটাশিয়াম, জিংক, ফ্যাট এবং ক্যালরি। এই উপাদানের সবগুলোই পাবেন আপনি কোয়েল পাখির ছোট্ট একটি ডিমে। আকারে ছোট বলে তার পুষ্টিগুণ কম এটা ভাবা যাবে না। হাঁস মুরগির ডিমের মতো কোয়েল পাখির ডিম ও ব্যাপক জনপ্রিয়। 

১। ভিটামিন এঃ চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী ভিটামিন এ। 

২। ভিটামিন বি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং স্নায়ুর স্বাস্থ্য রক্ষায় ভিটামিন বি সাহায্য করে। 

৩। ভিটামিন ডি, হাড় মজবুত রাখে এবং ক্যালসিয়াম শোষণের ব্যাপক গুরুত্ব পালন করে। 

৪। মিনারেল ও খনিজ কোয়েলের ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল ও খনিজ।

৫। আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের সহায়তা করে এবং রক্তশূন্যতা দূর করে। 

৬। ফসফরাস এই ডিমে থাকা আর এক পুষ্টির উপাদান হলো ফসফরাস যা হাড় ও দাঁতের গঠনে উপযোগী।

৭। পটাশিয়াম আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভীষণ সহায়তা করে। 

৮। জিংক কোয়েলের ডিমে থাকা পুষ্টি উপাদানের মধ্যে হল এমন একটি উপাদান যা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। 

৯। কোয়েল পাখির ডিম ওসেচুরেটেড দুই ধরনেরই ফ্যাট রয়েছে। এছাড়াও এতে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুবই কম যার কারণে হৃদ রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। 

১০। ক্যালোরি কোয়েল পাখির প্রতিটি ডিমে প্রায় 14 ক্যালরি থাকে। ক্যালরি পরিমান খুবই কম যার কারণে কোয়েল পাখির ডিম খেলে আপনার ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না। 

কোয়েল পাখির ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং বিভিন্ন রোগের হাত থেকে বাঁচতে কোয়েল পাখির ডিম ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ছোট এই ডিম বাচাতে পারে আপনাকে বড় বড় রোগের হাত থেকে যেমন, হার্টের সমস্যা, কিডনির সমস্যা, অতিরিক্ত ওজন, ফুসফুসের সমস্যা, শ্রবণ শক্তি লোক পাওয়া। উচ্চ রক্তচাপ, রক্তের পরিমাণ কমে যাওয়া, পাকস্থলী সমস্যা ইত্যাদি আর ও নানা সমস্যার সমাধান হিসেবে কাজ করে কোয়েল পাখি ডিম। 

এছাড়াও আরো অনেক উপকারে আসে কোয়েল পাখির ডিম। আজকে আমরা জানবো কোয়েল পাখির ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত। তাহলে চলুন জেনে নিই কোয়েল পাখির ডিমের উপকারিতা সমূহ। 

ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করাঃ 

কোয়েলের ডিমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এবং পাশাপাশি সর্দি-কাশি ইনফেকশন এবং ঠান্ডা জনিত সমস্যা প্রতিরোধে ভীষণ সহায়ক। 

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায়ঃ 

কোয়েলের ডিম ছোট থেকে বড় সবার জন্য ভীষণ উপকারী। তবে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। কোয়েল পাখির ডিম শিশু শারীরিক বিকাশ ঘটায় পাশাপাশি স্মরণ শক্তি তীক্ষ্ণ করে। তাই আপনি চাইলে আপনার সন্তানকে দিনে তিন থেকে চারটি কোয়েল পাখির ডিম সিদ্ধ করে খাওয়াতে পারেন। ছোট বাচ্চাদের যত সম্ভব চেষ্টা করবেন বাইরের খাবার না দিতে আর পুষ্টিকর স্বার্থপর খাবার দেওয়ার চেষ্টা করবেন। 

এলার্জি ও প্রদাহ কমায়ঃ

কোয়েল পাখির ডিমে ওভুমোকোইড একটি প্রোটিন থাকে, যে প্রোটিন আপনার শরীরে এলার্জি এনার্জি প্রতিরোধ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়াও এটি প্রদাহ জনিত সমস্যা ও হ্রাস করে। 

ত্বক ও চুলের জন্য উপকারীঃ

কোয়েল পাখির ডিমে আছে ভিটামিন এ জিংক যা ত্বক উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ত্বক ও চুল আমাদের ভীষণ প্রিয়, তাই ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে আমাদের নিয়মিত কোয়েল পাখির ডিম খাওয়া উচিত। 

শরীর সুস্থ রাখতে সহায়তা করেঃ 

কোয়েল পাখির ডিম শরীর সুস্থ রাখতে ভীষণ কার্যকারী পালন করে। যেমন, ডায়াবেটিস, টিবি, অ্যাজমা, এমনকি লিভার সুস্থ থাকে। এছাড়াও পিত্তথলিতে পাথর গলাতে ভীষণ কার্যকরী কোয়েল পাখির ডিম। 


দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখেঃ 

কোয়েল পাখির ডিমে রয়েছে ভিটামিন এ যা আমাদের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখতে ভীষণ উপকারী। নিয়মিত কোয়েল পাখির ডিম খেলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হবে। 

কোয়েল পাখির ডিমের অপকারিতা 

প্রতিটা জিনিসেরই যেমন উপকারিতা আছে তেমন অপকারিতা আছে কোয়েল পাখির ডিম ও তার ব্যতিক্রম কিছু নয়। খাবারের অনিয়ন্ত্রণা আনলেই তার সাইড ইফেক্ট হবে। তাই আজকে আমরা জানবো কোয়েল পাখির ডিমের উপকারিতা গুলো কি কি, বা কাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আসুন জেনে নেই কোয়েলের ডিমের উপকারিতা গুলো ।

১।কোলেস্টেরলের সমস্যা বাড়ায়: কোয়েল পাখির ডিম ১০০ গ্রাম ডিমে থা৮৮৪ গ্রাম কোলেস্টরেল। যা অন্যান্য ডিম থেকে একট বেশি। ডিম আকারে ছোট হলেও কোলেস্টেরলের মাত্রা অন্য ডিমের চাইতে বেশি। যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা রয়েছে তাদের উচিত এই ডিম অতরিক্ত না খাওয়া।

২। ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগিরদের সমস্যার কারণ যারা ডায়াবেটিস ও হৃদয়েরোগে আক্রান্ত আছে তারা যদি সেই সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে হয়ে থাকে তাহলে কোয়েল পাখির ডিম কিছুদিনের জন্য এড়িয়ে চলুন। কেননা কোয়েল পাখির ডিমের প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট রয়েছে যার ফলে অন্যান্য সমস্যা শরীরে দেখা দিতে পারে।

কোয়েল পাখির ডিম খাওয়ার নিয়ম

কোয়েল পাখির ডিম সিদ্ধ করে, তেলে ভেজে, ও রান্না করে খাওয়া যায়। ডিম ভাজার সময় অতিরিক তেল বা ক্ষতিকর তেল দিয়ে ডিম না ভিজে খাওয়াই ভালো। এতে উপকারের তুলনায় অপকার বেশি হবে এবং ডিমের পুষ্টিগুন নষ্ট হবে। কোয়েল পাখির ডিম রান্না করে মজা রেসিপি করেও খাওয়া যায়। আবার কোয়েল পাখির ডিম সিদ্ধ করেও আপনি খেতে পারেন। 
কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

যেকোনো ডিম সিদ্ধটাই আমরা বেশি স্বাস্থ্যকর মনে করি। অনেকে এমন আছে যে কোয়েল পাখির ডিম কে অস্বাস্থ্যকর মনে করে থাকে বা ছোট ডিমে পুষ্টি কম মনে করে থাকে। আসলে তাই নয় মুরগির ডিমের তুলনায় কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ অনেক গুণ বেশি। আপনার শরীরে বড় কোন রোগ বাসা না বেঁধে থাকলে আপনি নিয়মিত তিন থেকে চারটা করলেন ডিম খেতে পারবেন। 

কোয়েল পাখির ডিম খেলে কি হয়

কোয়েল পাখির ডিমের রয়েছে ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, এর পরিমাণ মুরগির ডিম থেকে ছয় গুণ বেশি। এমনকি আয়রন অভস ফরাস পাঁচ গুণ বেশি, ভিটামিন বি ২-১৫ গুণ বেশি, বাচ্চা থেকে বড় সকলের মানসিক শারীরিক সমস্যার সমাধান দিতে পারে কোয়েল পাখির ডিম। প্রতিদিন নিয়মিত তিন থেকে চারটি ডিম আপনি খেতে পারবেন। 

তাছাড়া কোয়েল পাখির ডিম সহজলভ্য কম টাকায় কিনতে পাওয়া যায়। যেকোনো ধরনের মানুষ মানুষ কিনে খেতে পারবেন। এমনকি আজকাল মুরগির ডিমও অনেক ভেজাল দিচ্ছে যেমন, পল্টি মুরগির ডিম এগুলো প্লাস্টিক বানিয়ে বিক্রি করছে যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। কিন্তু কোয়েল পাখির ডিমের এরকম কোন স্বাস্থ্য যোগী নেই, নিশ্চিন্তে আপনি কোয়েল পাখির ডিম খেতে পারেন। আজকাল অনেক মানুষ কোয়েল পাখি বাসায় পালন করে থাকে। তাইলে আপনিও এই কাজটি করতে পারেন। এটি যেমন আপনার কষ্টের চাহিদা মেটাবে অন্যদিকে আপনি লাভবান হবেন। 

কোয়েল পাখির ডিম কেন খাবেন

কোয়েলের ডিম প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ হওয়ায় একটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি মস্তিষ্কের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সাহায্য করে। কোয়েলের ডিমে মুরগির ডিমের চেয়েও কোলেস্টেরল কম এবং প্রোটিন বেশি থাকে, এবং এটি ডায়াবেটিস ও হৃদয়েরোগে আক্রান্তদের জন্য ভালো হতে পারে, তবে অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। 

কোয়েলের ডিমে প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিন ও খনিজ জিংক থাকে। এটি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং এতে থাকা আইরন ভিটামিন বি১২ এবং ফলিক এসিড সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে এবং রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।

কোয়েল পাখির ডিম দিনে কয়টি করে খাওয়া উচিত 

একজন সুস্থ প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি দিনে ৩-৫ টি কোয়েলের ডিম খেতে পারেন, তবে প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন খাওয়া উচিত। উচ্চ কোলেস্টরেল বা হৃদরোগ থাকলে, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।

কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক 

কোয়েলের ডিম অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট বাড়তে পারে, চারিত্র ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এছাড়াও যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে তাদের অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত নয়। কারণ এটি কিডনির উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। 

কোয়েলের ডিমে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে। অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে এটি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে বাড়াতে পারে। যাদের কিডনি রোগ আছে তাদের অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত নয়। কোয়েলের ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়া এটি কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যাদের ডায়াবেটিস বাড়িতে সমস্যা নিয়ন্ত্রণে নেই তাদের করলে কোয়েলের ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত কারণ এতে থাকা ফ্যাক্ট তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

কোয়েল পাখির ডিম কোথায় কিনতে পাওয়া যায়

কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

কোয়েলের ডিম অনলাইন গ্রোসারী স্টোর, স্থানীয় বাজার, এবং বিশেষ খামারের কাছ থেকে কেনা যায়। অনেক অনলাইন প্লাটফর্মে ডেলিভারির ব্যবস্থা থাকে। যার সরাসরি খাবার বা বিকেলে তাদের কাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করার সুবিধা দেয়। এছাড়াও স্থানীয় পশু পাখির দোকানে বা হাঁস মুরগির খামারে থেকেও এটি পাওয়া যেতে পারে।

শেষ কথা

পৃথিবীতে যত রকমের খাদ্য রয়েছে তার মধ্যে ডিম সবথেকে বেশি উপকারী ও প্রোটিন সমৃদ্ধ তার মধ্যেও কোয়েল পাখির ডিম গুনে মানে ও পুষ্টিতে সর্বোত্তম। অনেক ডাক্তাররা আছে যারা বয়লার মুরগির ডিম খেতে নিষেধ করে। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অপরপক্ষে কোয়েল পাখির ডিম স্বাস্থ্যঝুকি কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

সুস্থ থাকতে চাইলে আপনি নিয়মিত কোয়েল পাখির ডিম খেতে পারেন। কোয়েল পাখির ডিম ভালো করে সিদ্ধ করে খাওয়া উচিত। এই ডিমে কোনো ভেজাল নেই। যার ফলে এই ডিম খেলে আপনি অনেক রোগের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। এই ডিমের দাম খুব কম তাই সবাই কিনে খেতে পারবে। 

প্রিয় পাঠক, আপনি যদি আজকে রাতের খেলটির সম্পন্ন করে থাকেন তাহলে অবশ্যই এতক্ষণ জেনে গেছেন কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ সার্থক উপকারিতা সম্পর্কে। এমন আরো তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন আর আমার পাশেই থাকুন ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url