হাঁটুর ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়


হাঁটুর ব্যথা একটি সাধারন সমস্যা যা অনেকের মুখোমুখি হয়, যা বৃদ্ধ বয়সে শুরু হয়। হাঁটু জয়েন্ট আমাদের বাঁকানো, সোজা করতে এবং শরীরের ওজন সহ্য করতে সাহায্য করার জন্য দায়ী।

হাঁটুর ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়

হাঁটুর ব্যথা বিভিন্ন কারণ যেমন অতীতের আঘাত, অস্টিওআর্থারাইটিস, মুুচকে যাওয়া বা অন্যান্য কারণে হতে পারে এবং সেটি তীব্রতার কারণে দৈনন্দিন কাজকর্মে বাঁধা দিতে পারে।

পোস্ট সূচিপত্র  হাঁটু ব্যথা দূর করার ঘরোয়া কার্যকারী উপায়

হাঁটুর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা

হাঁটুর ব্যথা একটি সাধারন সমস্যা যা অনেকের মুখোমুখি হয়, যা বৃদ্ধ বয়সে শুরু হয়। হাঁটু জয়েন্টে আমাদের ঝাঁকানো, সোজা করতে এবং শরীরের ওজন সহ্য করতে সাহায্য করার জন্য দায়ী। হাঁটুর ব্যথা বিভিন্ন কারণে যেমন অতীতের আঘাত, অস্টিও আর্থাইটিস, মচকে যাওয়া বা অন্যান্য কারণে হতে পারে এবং এটি তীব্রতার কারণে দৈনন্দিন প্লাস কর্মে বাধা দিতে পারে।

বেশ কিছু ঘরোয়া প্রতিকার সাধারণত সুসজ্জিত ভারতীয় রান্নাঘরে পাওয়া যায় বা একটি অ্যাপ-টু ডেট ফাস্ট  এইড কিট চিকিৎসার পরামর্শ নেওয়ার আগে উপশম দিতে পারে। যদি আপনি অতিরিক্ত ওজন বা স্থল হন, তাহলে আপনার ওপর চাপ বেড়ে হাঁটু জোর সিড়ি বেয়ে ওঠা বা হাঁটার মতো মৌলিক কাজ করার সময়ও বেশি। হাঁটুর আঘাত, বিভিন্ন ধরনের বাঁত, নমনীয়তা বা শক্তির অভাব এবং আগের হাটুর আঘাতের হাঁটুতে ব্যাথার কারণ হতে পারে। 


হাঁটুর ব্যথার বেশিরভাগ কারণ শারীরিক চাপ, ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের মত অপর্যাপ্ত অপ্রয়োজনীয় পুষ্টি, সেই সাথে পেশি, এবং টিসু গুলির বয়স সম্পর্কিত পরিধানের মতো কারণগুলি কে দায়ী করা হয়। এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ক্রমাগত এবং তীব্র ব্যথা কয়েকদিনের বেশি স্থায়ী হয় পেশাদার চিকিৎসা মনোযোগের জন্য অনুরোধ করা উচিত।

আজকের ব্যস্ত জীবনে হাঁটুর ব্যথা একটু অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা হয়ে উঠেছে। বয়সের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকলেও, আজকাল অনেক তরুণ - তরুনীরা হাটুর ব্যথায় ভুগছেন। দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ, অতিরিক্ত ওজন, অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন এর পিছনে বড় কারণ। দিনে দিনে এই সমস্যা বাড়লেও প্রতিদিন ব্যথা-নাশক ওষুধ খাওয়া মোটেও দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়।

Samobathi pain Clean - আমরা মনে করি, হাঁটুর ব্যথার ক্ষেত্রে প্রথমে এর প্রকৃতি ও কারণ বোঝা দরকার। তারপর সঠিক চিকিৎসা, কিছু ঘরোয়া উপায় ও জীবনযাপন পরিবর্তনের মাধ্যমে এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। 

হাঁটুর ব্যথা হলে কি করবেন হাঁটুর ব্যাথার ঘরোয়া চিকিৎসা

১। ব্যাথার উচ্ছ নির্ধারণ করুনঃ 

প্রথমেই বুঝে নিতে হবে এই ব্যথা কিসের কারণে হচ্ছে। এটা কি চোটের ফলে? নাকি আর্থাইটিস, যেমন অস্টিও আর্থাইটিস বা রিউমায়েচ আর্থ্রাইটিস? কখনো কখনো পাতেলোফেমোরাল তিন সিনড্রোম মিনিস্টার ইনজুরি বা লিগামেন্ট ইনজুরি, এর কারণেও ব্যাথা হতে পারে। ব্যথা হালকা হলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে উপশম সম্ভব হলেও, দীর্ঘস্থায়ী বা কর্ম বর্ধমান বেতের ক্ষেত্রে একজন পেইন্ট ফিজিশিয়ানের পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি।

২। পা কে বিশ্রাম দিনঃ 

চোট জনিত ব্যথা হলে, হাঁটুর উপর চাপ কমানোর গুরুত্বপূর্ণ। পা উঁচু করে শুয়ে বিশ্রাম নিন। এতে রক্ত চলাচল ঠিক থাকে এবং ইনফ্ল্যামেশন কমে। ব্যথা কমে আসলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক মুভমেন্ট শুরু করুন। 

৩। বরফ সেক ব্যবহার করুনঃ 

হাঁটুতে ফুলে যাওয়া বা আঘাত পেলে, দিনে ২- ৩ বার বরফ সেক দিন। প্রতি স্টেশনে ১০-১৫ মিনিট বরফ ব্যবহার করুন। বরফের সঙ্গে কম্প্রেশন ব্যান্ডেজ ব্যবহার করলে আরো ভালো ফল পাওয়া যায়।

৪। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরিঃ 

একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রমাণিত বিষয় হল অতিরিক্ত ওজন হাটুর জয়েন্টে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্য ও ডায়েটরি পরিবর্তনের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখলে হাঁটুর ব্যথা অনেকটাই কমে যায়। 

৫। নিয়মিত ব্যায়াম করুনঃ 

ব্যাথা না থাকলে বা কম থাকলে, প্রতিদিনের রুটিনে কিছু হালকা ব্যায়াম রাখুন। যেমনঃ 

  • লেগ রেইজ ও হেমিস্ট্রিং স্ট্রেসিং হাটুর পেশী শক্তিশালী করে। 

  • সাইক্লিন বা সাতার হাটুর মুভমেন্ট বাড়ায় এবং জয়েন্টে চাপ কমে ফেলে। 

  • যোগ ব্যায়াম শেষ করে বজ্রাসন, সুশাসন, এবং ত্রিকণা সন, হাঁটুর নমনীয়তা বাড়াতে সাহায্য করে। 

হাটুর সাধারণ সমস্যা


হাঁটুর সাধারণ সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে, অস্টিওআর্থারাইটিস, আঘাত জনিতো সমস্যা যা ব্যথা,ফোলা, শক্ত হয়ে যাওয়া ও চলাচল বাধার সৃষ্টি করে এবং এর কারণ অতিরিক্ত ওজন, বার্ধক্য, অতিরিক্ত ব্যবহার ও আঘাত হতে পারে, যার জন্য বিশ্রাম, বরফ সেক, ব্যায়াম ও ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন 
হাঁটুর ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়

১। অস্টিও আর্থাইটিস: একটি অবক্ষয় জনিত অবস্থা যেখানে হাঁটু জয়েন্টের তরুণার্থী সময়ের সাথে সাথে কমে যায়, যার ফলে ব্যথা, শক্ত হয়ে যায় এবং ফুলে যায়। 

২। হাঁটু লিগামেন্ট ইঞ্জুরি: আংশিক মোচড়, খেলার আঘাত বা আঘাত জনিত কারণে এ সি এল (এন্টেরিয়র ক্রোশিন্ট লিগামেন্ট) এম সি এল (মিডিয়াল কোলেটার আর লিগামেন্ট) বা এল সি এল (পাশিও পোলেটরওয়াল লিগামেন্ট) এর আঘাত ।

৩। মেনিস্কাস টিয়ারস: মেনিস্কাসের ক্ষতি, কার্টিলেস বা গরুর হাড় এবং শিম্বাণ এর মধ্যে একটি কুশল হিসেবে কাজ করে । প্রায়শই আংশিকভাবে মসলানাবাজ জোর করে ঘোরানোর কারণে।

৪। প্যাটেলার টেনডোনাইটিসঃ জাম্পারের হাটু নামেও পরিচিত, এতে হাঁটুর হাড়ের সাথে হাঁটুর সংযোগকারী টেন্ডনের প্রদাহ জড়িত, যার ফলে হাঁটুর ঠিক নিচে ব্যথা হয় ।

হাঁটুর ব্যথার সম্ভাব্য কারণ কি?

এখানে হাঁটু ব্যাথার কিছু সম্ভাব্য কারণ পয়েন্টগুলিতে উপস্থাপিত হয়েছেঃ 

১। আঘাত বা ট্রমাঃ মুচকে যাওয়া,ফেকচার, স্থানচ্যুতি, গা হাঁটুতে সরাসরি আঘাত তৎক্ষণিক ব্যথা এবং অস্বস্তির কারণ হতে পারে। 

২। অস্টিওআর্থারাইটিসঃ একটি ভিজেনারেটিভ জয়েন্টের রোগ যেখানে হাঁটুর তরনার্থী সময়ের সাথে সাথে চলে যায়, যার ফলে ব্যথা, দৃঢ়তা, এবং নমনীয়তা হ্রাস পায়। 

৩। রিউমাইটেড আর্থাইটিসঃ একটি অটোইমিউন, অবস্থা যা হাঁটু সহ জয়েন্ট গুলিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার ফলে ব্যথা, এবং ফোলা ভাব সৃষ্টি করে। 

৪। টেন্ডনাইটিসঃ অতিরিক্ত ব্যবহার বা বারবার চাপের কারণে হাঁটুর চারপাশে টেন্ডার গুলির প্রদাহ বা জ্বালা, ব্যথা এবং ফলাভাব সৃষ্টি করে ।

৫। মিনিসকাস টিয়ারঃ একটি ছিঁড়ে যায়'মস্তান ও বা আংশিক নড়াচড়ার কারণে হয়, যার ফলে ব্যথা, ফুলে যাওয়া এবং সীমিত নড়াচড়া হয় ।

লক্ষ্য করে গুরুত্বপূর্ণ যে এইগুলির সম্ভাব্য কারণ, এবং হাঁটু ব্যথার নির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করতে পারে এবং একটি উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা বিকাশের জন্য একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের দ্বারা একটি সঠিক রোগ নির্ণয় অপরিহার্য।

হাঁটুর ব্যথা এড়াতে কিছু জরুরী টিপস

হাঁটুর ব্যাথায় এড়াতে ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন, সঠিক ও সহায়ক জুতো পড়ুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন, (বিশেষত সাঁতার সাইক্লিং এর মত কম প্রভাবশালী) হাঁটুর চারপাশের পেশি ( কোয়াড্রিসপস  হ্যামস্ট্রিং) শক্তিশালী করুন, পর্যাপ্ত জল পান করুন এবং পুষ্টিকর খাবার খান । ভারী জিনিস তোলার সময় সঠিক ভঙ্গি অনুসরণ করুন এবং একটানা দীর্ঘ সময় বসে থাকা এড়িয়ে চলুন।
১। সব সময় নরম, কুশনযুক্ত ও সাপোর্ট করুন। 

২। এক জায়গায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকবেন না। প্রতি ঘন্টায় একবার গড়ে উঠে হাঁটুন এবং স্ট্রেসিং করুন। 

৩। ভারী জিনিস তুলতে গেলে কোমর থেকে শক্তি দিন, হাটুর উপর অতিরিক্ত চাপ দেবেন না। 

৪। পর্যাপ্ত জল পান করুন এবং প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি যুক্ত খাদ্য খান, যাতে  জয়েন্ট সুস্থ থাকে।

৫। অতিরিক্ত ওজন হাটুর উপর চাপ বাড়ায। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরী 

৬। নরম, কুশনযুক্ত এবং সহায়ক জুতো পরুন।

৭। হাটুতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এমন কাজ বা খেলাধুলা এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। 

৮। ভারী জিনিস তোলার সময় কোমর থেকে চাপ দিন হাটুতে নয় 

৯ । খোলা কমাতে দিনে কয়েকবার ২০ মিনিটের জন্য বরফ বা কোল্ড প্যাক লাগান। 

১০ । ব্যথা বা আঘাত লাগলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, বিশেষ করে যদি ব্যথা গুরুতর হয়।

চিকিৎসকের সাহায্য কখন প্রয়োজন

যদি ব্যথা নিয়মিত হয়, হাঁটুতে সমস্যা হয়, বাড়াতে ঘুম ভেঙ্গে যায়, ব্যথায় তবে দেরী না করে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আমরা আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হাঁটুর ব্যাথার সঠিক কারণ নির্ধারণ করি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জয়েন্ট এ ইনজেকশন, ভিসকোসাপ্লিমেন্টেশন,PRP  থেরাপি অথবা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন প্রয়োগ করি। 

হাঁটুর ব্যথা সম্পর্কিত জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন এবং প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্নঃ হাঁটুর ব্যথা কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায় কি কি? 

উঃ হাঁটুর ব্যথা কমাতে বিশ্রাম, বরফ সেক, ওজন নিয়ন্ত্রণ, এবং হালকা ব্যায়াম (যেমন হাটা ,সাঁতার কাটা) এছাড়াও ব্যথা না শোক ওগুলো কষা মেইন ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ এবং ফিজিওথেরাপি মতে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যথা কমানো যায়, তবে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার জন্য অবশ্যই অর্থপেডিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত ।

প্রশ্নঃ হাঁটু ব্যথার জন্য কোন ওষুধ খাওয়া যায়? 

উঃ হাঁটু ব্যথার জন্য সাধারণত প্যারাসিটামল, আইবুপ্রোফেন, এর মত ব্যথা নাশক ওষুধ এবং গ্লুকসামিন এর মতো কার্টিলেজ  রক্ষাকারী ওষুধ ব্যবহার করা যায়। তবে কারণ ও তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া উচিত, যা ফিজিওথেরাপি ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে মিলিত হতে পারে। 
হাঁটুর ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়

প্রশ্নঃ হাঁটুর জয়েন্টে পানি বানানোর উপায় 

উঃ হাটা সাঁতার কাটা এবং সাই ক্লিং এর মত কম প্রভাবশালী কার্যকলাপ গুলি সাইনোভিয়াল তরল সঞ্চালন এবং জয়েন্টের গতিশীলতাকে উদ্দীপিত করে। ইস্টরেসিং এবং মবিলাইজেশন মৃদু স্টেশন রক্ত প্রদাহ এবং জয়েন্টের নমনীয়তা উন্নত করে। 


প্রশ্নঃ হাটুর ব্যথার কারণ কি হতে পারে 

উঃ হাঁটুতে যে সাধারণ আঘাতগুলি ব্যথার কারণ হতে পারে তার মধ্যে রয়েছে ভাঙ্গা হার, টিয়ার, ছেড়া লিগামেন্ট, চিকিৎসা বাদী শর্ত অনেক চিকিৎসা অবস্থা যেমন আর্থাইটিস, গাউট, রিউমায়েট, এবং ইনফেকশনের কারণও হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে।

শেষ কথা 

আজকের আর্টিকেলে আপনাদের জানাতে চেষ্টা করেছি হাঁটুর ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। আশা করছি পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনারা কিছুটা হলে উপকৃত হবেন। আমার আর্টিকেলটি যদি ভালো লাগে তাহলে লাইক কমেন্ট করে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

হাঁটুর ব্যথা উপেক্ষা করা উচিত নয়। প্রাথমিক অবস্থাতেই সচেতনতা, নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ-এই তিনটি বিষয় মাথায় রাখলে অনেকটাই এর  সমস্যাকে প্রতিরোধ করা সম্ভব । তবে দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রমশ বাড়তে থাকা ব্যাথার ক্ষেত্রে পেইন ক্লিনিকে এসে পরামর্শ নেয় সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। হাঁটুর যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url