শীতে ত্বকের যত্নে মধু কি করে ব্যবহার করে মধুর কার্যকারিতা

মধুর পুষ্টিগুণ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। ক্ষতিকর চিনির বিকল্প হিসেবে স্বাস্থ্যকর মধু খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেক চিকিৎসকই। তবে শুধু শরীরের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত এই নয়, ত্বকের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতেও মধুর ভূমিকা রয়েছে।

শীতে ত্বকের যত্নে মধু কি করে ব্যবহার করে মধুর কার্যকারিতা

মধুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজিং এর বৈশিষ্ট্য। তাই ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে আদ্র রাখার জন্য একটি দুর্দান্ত উপাদান। একবার ত্বকে প্রয়োগ করা হলে, এটি চামড়ার ওপরের স্তর গুলোকে নরম করতে এবং ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে যাতে ত্বকের নিচের স্তর গুলি আদ্রতা না হারায়।

পোস্ট সূচিপত্রঃ শীতে  ত্বকের যত্নে মধুর ব্যবহার এবং কার্যকারিতা

শীতে ত্বকের যত্নে মধু কিভাবে উপকার করে 

শীত এলেই রুক্ষ হয়ে পড়ে ত্বক। আর মধু ত্বককে রাখে নরম। এ সময় তাই মধু হতে পারে কার্যকর একটি উপায়। মধুতে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। যা ত্বকের ব্রণ ও বয়সের ছাপ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া মধুতে থাকা এক্সফোলিয়েটর ত্বকের মৃত কোষ দূর করে। ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতেও সাহায্য করে মধু। মধু দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় ত্বক বান্ধব কিছু ফেসপ্যাক। 


বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ার এর রুপ বিশেষজ্ঞ শারমিন কচি জানান রূপচর্চায় মধুর ব্যবহারের কিছু উপায়--

১। এক চা চামচ টক দই ও এক চা চামচ মধু মেশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। প্যাকটি ত্বকে 15 মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। টক উজ্জ্বল ও মুসলিম দেখাবে।

২। এক চা চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এরপর প্র্যাকটিতে সামান্য গোলাপজল যোগ করুন। তোকে মেখে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের টি -জোন অর্থাৎ,নাক, কপাল,ও থুতনির তেলতেলে ভাব কমাবে। তোকে করবে টান টান। 

৩। এক চা চামচ মধু ও দুই থেকে তিন ফোঁটা লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে দিন। কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ব্যক্তি ত্বকের দাগ হালকা করতেও সহায়তা করে। 

৪। শুষ্ক নিস্তেজ ত্বকের আদ্রতা ফিরিয়ে আনতে এক চা চামচ এ্যালোভেরা জেল ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। একটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। 

৫। এক চা চামচ ওটস গুড়া, একটা চামচ মধু ও সামান্য পানি মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন। স্ক্রাব ব্যবহারের আগে প্রথমে মুখ পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন। এরপর স্ক্রাব হাতে নিয়ে চক্রাকারে মুখের ত্বকে ঘষান। মনে রাখবেন, তোকে খুব জোরে ঘষা যাবেনা। চার থেকে পাঁচ মিনিট স্ক্রাবিং করার পর ধুয়ে ফেলুন। এটি মৃত কোষ দূর করে তোকে কবুল করে। চাইলে মুখের পাশাপাশি হাত পায়ের ত্বকেও স্ক্রাবটি ব্যবহার করতে পারেন। 

৬। এক চা চামচ দুধ ও এক চা চামচ মধু একসঙ্গে মেশানো। এটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। একটি শীতের রুক্ষ ত্বকে নরম করে, ফিরে আনা প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা।

ত্বকের যত্নে মধু ব্যবহারের নিয়ম

শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে খুব সহজেই। শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এজন্য ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখার চেষ্টা রাখতে হবে। প্রাকৃতিক উপাদান মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তোকে মশ্চারাইজার জোগাতে মধু এতটাই উপকারী যে, তৈলাক্ত ত্বকে মধু ব্যবহার করতে নিষেধ করে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা তাতে ত্বকের তৈলাক্ততা আরো বাড়ে। এতে ত্বকে এলার্জিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মধু, শুধুমাত্রকের শুষ্কতায় দূর করে না, ডার্ক ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত মধু ব্যবহারে ত্বক হয়ে ওঠে নরম ও কমল। তোকে মধু ব্যবহারের আরেকটি সুবিধা হচ্ছে এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। খাঁটি মধুর পুরোটাই প্রাকৃতিক। যারা ত্বকে টানটান ভাব আনতে চান তারাও নিয়মিত মধু ব্যবহার করতে পারেন। তাই বলে প্রতিদিন কিন্তু তোকে মধু ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন ব্যবহারের বড় উল্টো ফল হতে পারে।

সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন ত্বকের মধু ব্যবহার করতে পারেন ‌ বিভিন্ন প্যাক এর মধ্যে যেমন মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন তেমনি সরাসরি ও ব্যবহার করা যায়। সকালে তোকে খাঁটি মধু মেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি কমল হবে। তোকে টানটান ভাব চলে আসবে। ত্বকের ওপর মধু ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত মধু পান করতে পারেন।

এটা বরং আরো ভালো ফল এনে দেবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক চা চামচ মধু হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয় কুসুম গরম পানিতে এক চা চামচ মধু এবং একটি লেবুর রস মিশিয়ে পান করা। এতে কন্ঠ পরিষ্কার থাকে। শরীরের জন্য উপকার দেয়। লেবু, মধু পানি শরীরের অতি রিক্ত চর্বি কাটাতে সহায়তা করে। এটাও কিন্তু একদিক দিয়ে আমাদের ত্বকের জন্যই উপকার বয়ে আনে। তবে যারা ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন তাদের মধু পান না করাই ভালো।

শীতকালে মধু খাওয়ার উপকারিতা

শীতকালে মধুর শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ঠান্ডা কাশি সর্দি গলা ব্যথার মতো শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে, কারণেতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফর্মেটরি উপাদান থাকে। এটি তপ ও ঠোঁটের সুস্থতা দূর করে, দ্রুত শক্তি যোগায় এবং হিমোগ্লোবিন বাড়াতে ও হজম সহায়তা করে।


মধুর এন্টিব্যাকটেরিয়াল ওয়েন্টিনফ্লামেটরি গুণাবলী গলা ব্যথা, খুসখুসে কাশি ও সর্দি কমাতে কার্যকর, মধু শরীর কে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধু দ্রুত শক্তির সরবরাহ করে এবং শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। মধু প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ধরে রাখে যা শীতকালে শুষ্ক ও ত্বক ও ঠোঁটের যত্নে উপকারী। মধু পেটের আলসার ভালো করতে এবং কোষ্ঠকাঠির দূর করতে সহায়ক।

মধুর প্রধান কার্যকারিতা

মধুর একটি প্রাকৃতিক শক্তিদায়ক ও পুষ্টিকর উপাদান যার ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজম শক্তি উন্নত করে, ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে, এবং এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এন্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে; এটি সর্দি কাশি কমায়, ক্ষত নিরাময়ের সাহায্য করে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায়, তবে ডায়াবেটিস রোগীদের সতর্কতার সাথে সেবন করা উচিত। মধুর প্রধান কার্যকারিতা গুলো নিচে উল্লেখ করা হলোঃ--

১। শক্তি বৃদ্ধিঃ মধু প্রাকৃতিক শর্করা (গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ) সমৃদ্ধ। যার শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগায়।

২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে ।

৩। হজম ও পেটের স্বাস্থ্যঃ হজম শক্তি বাড়াতে এবং পেটের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে ।

৪। ঘুম ও প্রশান্তিঃ রাতে মধু খেলে ভালো ঘুম হয় এবং মন শান্ত থাকে ।

৫। সর্দি কাশিঃ সর্দি ও ঠান্ডা লাগা থেকে তাৎক্ষণিক আরাম দেয় ।

৬। হত নিরাময়ঃ এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য দ্রুত ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে ।

৭। হরমোনের ভারসাম্যঃ নারীদের হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করতে পারে। 

৮। হৃদরোগঃ হৃদরোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয় ।

কখন খাবেনঃ

১। সকালে খালি পেটে মধু খাওয়ার সবচেয়ে উপকারী 

২। ক্লান্তি অনুভব করলে তাৎক্ষণিক শক্তি পেতে মধু খেতে পারেন। 

সর্তকতাঃ মধুতে শর্করা বেশি থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের অতিরিক্ত মধু খাওয়া বিপদজনক হতে পারে, কারণ এটি রক্তে সরকারের মাত্রা বাড়াতে পারে ।

ত্বকের যত্নে মধুর উপকারিতা

ত্বকের যত্নে মধু একটি অসাধারণ প্রাকৃতিক উপাদান। যা ত্বককে আদ্র, নরম ও উজ্জ্বল করে, ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করে, দাগ কমায়, প্রদাহ ও জ্বালাপোড়া কমায় এবং বয়সের ছাপ প্রতিরোধে সাহায্য করে কারণ এতে আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, এন্টি ইনফ্লামেটরি ও এন্টিঅক্সিডেন্ট গুণাবলী, জাতক কে সুস্থ ও সতেজ রাখতে অপরিহার্য।

মধুর উপকারিতাঃ

১। মধু একটি প্রাকৃতিক হিউমেকট্যানট, যা ত্বক থেকে জলীয় বাষ্প পেরিয়ে যাওয়ার রোধ করে এবং ত্বককে আদ্র ও টানটান রাখতে সাহায্য করে।

২। এতে থাকা এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রুণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ব্রণের দাগ ও অন্যান্য দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। 

৩। মধু ত্বকের নিস্তেজ ভাব দূর করে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে এবং ত্বককে মসৃণ ও সতেজ করে তোলে।

৪। মধু প্রাচীনকাল থেকে কত নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে, কারণ এটি কোষের নিরাময় প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। 

৫। এটি প্রাকৃতিক পোর্ট ক্লিনার হিসেবে কাজ করে এবং ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে মধু

মধুর প্রাকৃতিকভাবে ত্বক এক্সফলিয়েট, করার ক্ষমতা রয়েছে যা ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমায়। এটি তোদের ছিদ্র উন্মুক্ত করে এবং বলিরখা দূর করে। মধুর সঙ্গে কাঠবাদামের গুঁড়া মিশিয়ে তৈলাক্ত ত্বকের উপর মালিশ করা যেতে পারে। ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করার পর হালকা গরম পানি দিয়ে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। এটিকের তৈলাক্ত ভাব দূরীকরণের সহায়ক হবে। 
শীতে ত্বকের যত্নে মধু কি করে ব্যবহার করে মধুর কার্যকারিতা

ত্বকের দাগ কমাতে মধু

মধু প্রাকৃতিক হিউমেকটেন সমৃদ্ধ জা ত্বক পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। এছাড়াও রয়েছে ব্যাকটেরিয়া ও প্রদাহ নাশক উপাদান যা ত্বকের দাগ কমাতে চমৎকার কাজ করে। মুখে সরাসরি মধু ব্যবহার ব্যাকটেরিয়া দূর করে, ত্বক আদ্র রাখে, প্রদাহ কামাই এবং মুখের দাগ কমাতে সহায়তা করে, ত্বক আর্দ্র রাখে, প্রদাহ কামাই এবং মুখের দাগ কমাতে সহায়তা করে। 

ত্বকের যত্নে মধু ও দুধ

ফেসপ্যাক তৈরি করার জন্য একটি পাত্রে এক টেবিল চামচ দুধ এবং মধু ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এখন এই মিশ্রণটিকে ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা 20 মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।২০ মিনিট পর হালকা কুসুম গরম পানিতে মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখতে মধু এবং দুধের এই ফেসপ্যাক সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করতে হবে। 

ত্বকের যত্নে মধু ও নিম পাতা 

ত্বকের যত্নে মধু ও নিম পাতার উপকারিতা অনেক। এর জন্য তিন থেকে চারটি নিমপাতা ও এক টেবিল চামচ মধু নিতে হবে। প্রথমে নিমপাতা ২০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রেখে নিম পাতা ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করতে হবে।মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে 15 মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বককে নরম এবং মসৃন রাখে।

মধু দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করা

মুখে মধু প্রয়োগ করার আগে, নিশ্চিত করুন যে আপনার ত্বক পরিষ্কার এবং মেকআপ, ময়লা বা অন্যান্য স্কিন কেয়ার পণ্য থেকে মুক্ত। আলতো করে একটি হালকা ক্লিনজার দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে নিন এবং একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে শুকিয়ে নিন।
শীতে ত্বকের যত্নে মধু কি করে ব্যবহার করে মধুর কার্যকারিতা

মুখে মধু মাখার উপকারিতা


মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, জিংক, পটাশিয়াম এবং লৌহ। এছাড়াও মধু উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক এবং এতে রয়েছে কার্যকার নির্যাস নাটকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। মধুর এন্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টিসেপটিক এবং ব্যাকটেরিয়া রোগী উপাদান ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। এটা লোমকৃপ উন্মুক্ত করে এবং বিরক্তি কর ব্ল্যাকহেডস থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি সারাদিন  ত্বক আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। মধুতে রইছে এমন সব উপাদান, যার শুষ্ক ও তৈলাক্ত দুই ধরনের ত্বকের জন্যই উপকারী।

মধুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে সব ধরনের মধুই ত্বকের জন্য উপকারী। তবে মধু ত্বকে ব্যবহার করার পূর্বে বেশ কিছু বিষয়ের সতর্ক থাকা উচিত। এলার্জির সমস্যা থাকলে ত্বকে  মধু ব্যবহার বেশ সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই ব্যবহারের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। এছাড়াও ত্বকের মধু ব্যবহারের পরে অবশ্যই তা ঠিকমতো ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। লোমকূপে মধু আটকে থাকলে তা থেকে ব্রণ দেখা দিতে পারে।

শেষ কথা 

প্রিয় পাঠক, পরিশেষে প্রাকৃতিক ভাবে ত্বকের যত্নে মধু অত্যন্ত কার্যকর। ত্বকের যত্নে মধু ব্যবহারের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। খুব সহজেই ঘরোয়া ভাবে ত্বকের যত্নে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এই ক্ষেত্রে খাঁটি এবং ভেজালমুক্ত মধু ব্যবহার করা উচিত। এই ক্ষেত্রে অত্যন্ত বিষস্ত এবং আস্থাভাজন। আপনি পাবেন সঠিক দামে ভালো মানের সকল রকমের মধ্যে যা আপনার ত্বকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক হবে। কেউ পাঠক আজকের আর্টিকালে আপনাদের জানাতে চেষ্টা করেছি ত্বকে মধুর ব্যবহার নিয়ে বিশেষ তথ্য। আশা করছি উপরের পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনারা কিছুটা হলে উপকৃত হবেন। আপনাদের ভালো লেগে থাকলে আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন এবং লাইক কমেন্ট শেয়ার করুন এতক্ষণ সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url