কি খেলে ডায়াবেটিস দ্রুত কমে? ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা

আরো পড়ুনঃ  রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী কালাই রুটি এবং কালাই রুটির বৈশিষ্ট্য

ডায়াবেটিস দ্রুত কমাতে হলে আঁশযুক্ত খাবার ( শাক, সবজি,ডাল, আস্ত শস্য,) কম জি আই, যুক্ত ফল( পেয়ারা, আপেল,বেরি,) চর্বি হীন প্রোটিন ( মাছ, ডিম) এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি ( বাদাম) খেতে হবে।

কি-খেলে-ডায়াবেটিস-দ্রুত-কমে-ডায়াবেটিস-রোগীর-খাদ্য-তালিকা

আর সাদা চাল, চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে, সাথে নিয়মিত ব্যায়ামও জরুরী।চিড়া,টক দই, সেদ্ধ ডিম, সবজি দিয়ে আটার পরোটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।

পোষ্ট সূচিপত্রঃ কি খেলে ডায়াবেটিস দ্রুত কমে?ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা 

কি খেলে ডায়াবেটিস দ্রুত কমে 

ডায়াবেটিস এক দীর্ঘস্থায়ী রোগ হলেও, সঠিক খাদ্যাভাস এবং জীবন যাপন পরিবর্তনের মাধ্যমে একে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। অনেকেই জানতে চান, কি খেলে ডায়াবেটিস দ্রুত কমে? আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমরা এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা করব এবং ডায়াবেটিস দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করার আরো কিছু কার্যকার উপায় সম্পর্কে জানব। 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সঠিক খাবার বেছে নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে ভাবেন ডায়াবেটিস থাকলে পেট ভরে খাওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু সেটা সত্যি নয়। সঠিক খাদ্যাভাস গড়ে তুললে পেট ভরে খেয়েও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চলুন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সাহায্য করে এমন কিছু খাবার সম্পর্কে জেনে নিই।

১ ।কাঁচা বা সেদ্ধ করা সবজিঃ

ডায়াবেটিস রোগীদের প্রচুর সবজি খাওয়া উচিত। আলু বা মিষ্টি জাতীয় সবজি এড়িয়ে চলাই ভালো। তবে টমেটো, শসা, বেগুন, মাশরুম, এবং সবুজ সবজি খাওয়া নিরাপদ। এই সবজিগুলো কাঁচা বা সেদ্ধ খেতে পারেন। কদিন থাকলে রোস্ট করতে পারেন। সবজি দিয়ে ভর্তাও করতে পারেন, যা পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু হবে। 
২। ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবারঃ 

আঁশযুক্ত খাবার রক্তে সরকার আর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। বাদাম, মটর শুঁটি, ভুট্টা, শাকসবজিতে প্রচুর ফাইবার থাকে। এগুলো শরীরকে দীর্ঘ সময় তৃপ্ত রাখে। মিষ্টি আলু ও ফাইবারে ভরপুর এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। 

৩। চিনি ছাড়া চাঃ

চা, বিশেষ করে ব্লাড টি বা গ্রিন টি, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো। চিনি ছাড়া চা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, এতে শরীর থাকবে সতেজ এবং সুস্থ। 

৪। সামান্য চর্বি খেতে পারেনঃ

ডায়াবেটিস রোগীদের চর্বি একেবারে বাদ দিতে হবে, এমন নয়। তবে অতিরিক্ত তেল বা চর্বি এড়িয়ে লিন মিট (যেমন মুরগির মাংস) বা অলিভ অয়েল তৈরি খাবার খাওয়া যেতে পারে। এতে শরীর ভালো থাকবে। 

৫। প্রোটিনের অভাব নেইঃ 

ডায়াবেটিস রোগীরা প্রোটিন খেতে পারেন, তবে লাল মাংস (যেমন গরুর মাংস) এড়িয়ে চলা ভালো । মুরগি, কোয়েল বা কবুতরের মাংস, প্রোটিনের ভালো উচ্চ হতে পারে ।

৬। শরবত খেতে ইচ্ছে করলেঃ 

ডায়াবেটিস রোগীরা মাঝে মাঝে শরবত খেতে পারেন, তবে এতো চিনি মিশানো যাবে না। লেবুর শরবত বাঙ্গির শরবত পান করতে পারেন, যার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা

একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। সাথে সাথে প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দিবে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকতে সাহায্য করবে। 

ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্যাভাস কেমন হওয়া উচিত

ডায়াবেটিস হলেই যে আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু খাবার খাওয়া একেবারে ছেড়ে দিতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনি বিভিন্ন রকমের খাবার খেতে পারবেন, তবে কিছু খাওয়ার অবশ্যই পরিণত পরিমাণে খাওয়া খেতে হবে। 

এক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ--

১। বৈচিত্রময়ী খাবার খাওয়া: প্রতিদিন একটি ধরনের খাবার না খেয়ে, নানান রকমের ফলমূল, শাকসবজি ও কিছু শ্বেতসার জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন । যেমন লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি ও আলু। 

২। এসব খাবার কমিয়ে দিন: চিনি, লবণ ও চর্বি জাতীয় খাবারের পরিমাণ একেবারে কমিয়ে দেওয়া, অর্থাৎ যতটুকু না খেলেই নয় ঠিক ততটুকুই খাওয়া ।

৩। সময় মত খাবার খান: প্রতিদিন সকালের নাস্তা দুপুরের ওর হাতের খাবার সময় মত খেতে হবে । কোন বেলার খাবার যেন বাদ না পড়ে।

আপনার যদি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এর প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে প্রতি সপ্তাহে একটু একটু করে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করুন। এভাবে পরিবর্তন আনা আপনার জন্য সহজ হবে। একেবারে সম্পূর্ণ খাদ্যাভাস বদলে ফেলার চেষ্টা না করাই ভালো। 

ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা যা যা থাকতে হবে

  • একটি স্বাস্থ্যকর ও সুষম ডায়েটের জন্য পাঁচটি প্রধান গ্রুপ বা পদের খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এসব হচ্ছে--
  • ফলমূল ও শাকসবজি 
  • শ্বেতসার সমৃদ্ধ খাবার। যেমন: লাল বা, বাদামি চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা পাউরুটি 
  • প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। যেমন, ডিম, মাছ, মাংস, প্রেম ও অন্যান্য বিন, ডাল বিভিন্ন ধরনের বাদাম 
  • দুধ ও দুধ খাবার। যেমন দই,ছানা, ও পনির
  • বিভিন্ন ধরনের তেল, মাখন ,ঘি 

আপনার দৈনিক কতটুকু খাবার ও পানীয় প্রয়োজন তা নির্ভর করে আপনার বয়স, লিঙ্গ, শারীরিক পরিশ্রম এবং আপনি আপনার ওজন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে কি ধরনের লক্ষ্য নির্ধারণ করছেন তার ওপর। সুষম খাদ্য বাসের অর্থ হলো নির্দিষ্ট কিছু খাবার বেশি পরিমাণে এবং অন্যান্য খাবারগুলো কম পরিমাণে খাওয়া। আবার, কেবল এক ধরনের খাবার দেহের সব পুষ্টি উপাদানের চাহিদা পূরণ করতে পারে না। তাই স্বার্থপর খাদ্যাভাসের মূল হলো বৈচিত্র। এই বৈচিত্র আনা যায় প্রতিদিন মূল পাঁচটি গ্রুপের প্রত্যেকটি থেকে বিভিন্ন খাবার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে। 

এখন পাঁচটি গ্রুপের প্রতিটি ভূমিকা, উপকারিতা, কোন গ্রুপ থেকে কি পরিমাণ খাবেন এবং কি কি খেতে পারবেন তা তুলে ধরেছি

ফল ও সবজি 

ডায়াবেটিস থাকলে যে আপনি ফলমূল খেতে পারবেন না এমন কোন কথা নেই। ফলমূল ও শাকসবজিতে সাধারণ ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে। এগুলো প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ ও আশ তথা ভাইবারে পরিপূর্ণ। এছাড়া এগুলো প্রত্যেক বেলার খাবারের নতুন স্বাদ ও বৈচিত্র যোগ করে।টাটকা, ফ্রোজেন, শুকনো কিংবা কেন ও টিনের বোতলে প্রক্রিয়াজাত যেকোনো ধরনের ফলোয় খাওয়া যায়। শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করার জন্য যত প্রকারের রংবেরঙের ফল খাবেন, ততই ভালো।
কি-খেলে-ডায়াবেটিস-দ্রুত-কমে-ডায়াবেটিস-রোগীর-খাদ্য-তালিকা

তবে ফলের জুস ও ইসমদী না খেলে ভালো। কারণ এতে আশের পরিমাণ খুব কম থাকে। আপনি যদি খাদ্য তালিকায় থাকা সরকারের পরিমান কমিযে এনে লো-ডায়েট মেনে চলতে চান, তাহলে আপনি খাদ্য তালিকা থেকে ফলো সবজি বাড়তে চাইবেন। তবে এমনটা না করে এগুলো আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

শ্বেতসার সমৃদ্ধ খাবার

শ্বেতসার সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে আলু,ভাত, রুটি,নানরুটি, পাস্তা,পাওরুটি ও কাঁচকলা। এগুলোর সবগুলোতেই শর্করা থাকে। ইচ্ছে গুলো আমাদের শরীরের ভিতরে ভেঙে পরিণত হয়। এই গ্লুকোজে আমাদের দেহের কোষ গুলো জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। সমস্যা হল, কিছু শ্বেতসার জাতীয় খাবার খুব দ্রুত রক্তে সুগার তথা গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। এইসব খাবার কি বলা হয় উচ্চ ,গ্লাইসেনিক ইনডেক্স (জিআরই)- যুক্ত খাবার।

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ( জিআরই) কী?

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এমন একটি স্কেল যা একটি খাবার রক্তে সুগারের মাত্রা কম দ্রুত বা ধীরে ধীরে বাড়ি দেয় তার উপর ভিত্তি করে বানানো। যেসব খাবার রক্তে সুগারের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়, এগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি, আর যেগুলো রক্তে সুগারের মাথা রেখে ধীরে ধীরে প্রবাহিত করে সেগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স


কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের খাবার গুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ভালো। এমন কিছু শ্বেতসার জাতীয় খাবার হল লাল চাল ও বাসমতি চালের ভাত, লালা আটা রুটি ও পাস্তা এবং লাল আটা পাউরুটি। এগুলোতে আসার পরিমাণও বেশি থাকে, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। তাই খাবারের সরকারের পরিমাণ কমাতে চাইলে সাদা চালের ভাত ও সাধারণ আটা ময়দা রুটিও পাটি খাওয়া কমান।

শ্বেতসার সমৃদ্ধ খাবারের উপকারিতাঃ 

১ ।এসব খাবারের আশ আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

২। নির্দিষ্ট কিছু শ্বেতসার আপনার রক্তে সুগারের বাচ্চাকে ধীরে ধীরে প্রভাবিত করে।

৩। গোটা শস্যদানা আপনার হাটকে সুরক্ষিত রাখে। 


কি পরিমান শ্বেতসার খাবার খাবেনঃ

প্রতিদিন কিছু পরিমাণে শ্বেতসার যুক্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন।


ডায়াবেটিস রোগী কোন শ্বেতসার সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন 

১। লাল চালের ভাত 
২। লালা আটার রুটি, চাপাতি পাস্তা ,ও,নুডুলস।
৩। খোসা সেদ্ধ বা বেক করা মিষ্টি আলু।

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

ডিম ও মাছ-মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, যা আপনার পিসিকে সুস্থ রাখে। কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস গড়ে তুলতে খাদ্য তালিকা থেকে লাল মাংস (যেমন গরুর খাসি ও ভেড়ার মাংস) ও প্রক্রিয়া জাত মাংস এর পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে, কারণ এগুলো খাওয়ার সাথে ক্যান্সার ও হার্টের রোগের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। 

সামুদ্রিক মাছ সহ বিভিন্ন তৈলাক্ত মাছের প্রচুর ওমেগা-৩ থাকে। যা হাটকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। অন্যান্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে সিম, বরবটি ও অন্যান্য বিন জাতীয় খাবার। কাল এবং বিভিন্ন ধরনের বাদাম; যারা নিরামিষই বা বেগান খাদ্যাভাস মেনে চলেন তাদের জন্য এগুলো প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে কাজ করে।

ডায়াবেটিস কোন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন? 

১। নাস্তায় ছোট একমুঠ বাদাম খাওয়া যেতে পারে, প্রয়োজনে সালাদের সাথে মিশেও খেতে পারেন। 

২। মাংসের পরিবর্তে রান্নায় ডাল ওসিমের বিচি ব্যবহার করতে পারেন। 

৩। কম তেল মসলায় রান্না, গ্রিল ও বেক করা মাছ-মাংস খাওয়া যেতে পারে। 

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার 

দুধ ও পনির, দই- এ প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে, যা আপনার হাড় ও পেশির গঠনের জন্য খুবই উপকারী। কিন্তু কিছু দুগ্ধজাত খাবার প্রচুর পরিমাণে চর্বি, বিশেষ করে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যার রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই কম চর্বিযুক্ত বিকল্প গুলো বেছে নেওয়া জরুরি। 

ডায়াবেটিস রোগী কোন ধরনের দুগ্ধজাত ও দুধ খাবার খেতে পারেন?

১। এক গ্লাস দুধ সরাসরি খেতে পারেন, বাহ গন্ধ ভালো না লাগলে এতে অল্প পরিমাণে দারুচিনি দিয়ে খেতে পারেন। ওটস বানার তাই সিরিয়ালের সাথে মিশেও খেতে পারেন। 

২। ফল বা তরকারির সাথে টক দই মেশি খাওয়া যায় 

৩। গাজর ও শশার সাথে  পনির খেতে পারেন নাস্তা হিসেবে 

৪। সন্ধ্যায় নাস্তার সাথে লাচ্ছি, মাঠা বা সাধারণ দই খেতে পারেন 

চর্বি ও বিভিন্ন ধরনের তেল

ডায়াবেটিস রোগের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় কিছু চর্বি জাতীয় খাবার থাকা প্রয়োজন। তবে সেচুরেটেড ফ্যাট প্রয়োজন  খুব কম। একচুয়েটেড ফ্যাট রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়, যা পরবর্তীতে হাটের বিভিন্ন রোগ ও স্টকের ঝুঁকে বাড়ায়। মাখন, নারিকেল তেল ও পামওয়েল এ ধরনের অধিক সিচুয়েটেড ফ্যাট যুক্ত তেল। 

এগুলোর স্বাস্থ্যকর বিকল্প হল কম পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এমন তেল (যেমন অলিভ অয়েল বা অন্যান্য ভেজিটেবল অয়েল) ও বাদাম থেকে তৈরি বাটার (যেমন পিনাট বাটার, আমন্ড বাটার) ।

চর্বি ও তেলের উপকারিতা 

১। অসম্পৃক্ত বা আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট আপনার হার্ট কে সুস্থ রাখে।

ডায়াবেটিস রোগী কোন তেল খেতে পারেন? 

১। সালাতে অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল দিয়ে খেতে পারেন 

২। তুষ্টির সাথে সাধারণত মাখনের পরিবর্তে পেনার্ট বাটার খেতে পারেন। 

ডায়াবেটিস রোগী যে খাবার এড়িয়ে চলবেন 


অতিরিক্ত চর্বি, লবন অশ্বিনী সমৃদ্ধ খাবার--এসব যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। কিন্তু আমরা জানি সব সময় এসব খাবার এড়িয়ে চলায় সম্ভব নয়। তাই আপনার শরীরের উপর এগুলো কি ধরনের প্রভাব ফেলে শেষে ধারণা থাকা জরুরি। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে বিস্কুট, চিপস, চকলেট,কেক, আইসক্রিম,মাখন, ও অতিরিক্ত চিনি দেওয়া কমল পানীয়। এসব খাবার পান পানি হতে প্রচুর ক্যালরি রয়েছে। এবং সেরা রক্তের সুগারের মাত্রা বা অনেক বাড়িয়ে দেয়।তাই চিনি মুক্ত বিকল্প খুঁজে নিতে হবে। সবচেয়ে ভালো উপাদান পানিও হল পানি। এতে কোন ক্যালরি নেই। 
কি-খেলে-ডায়াবেটিস-দ্রুত-কমে-ডায়াবেটিস-রোগীর-খাদ্য-তালিকা

এগুলোতে অস্বাস্থ্যকর স্যাচুরেটেড প্রচুর পরিমাণে থাকে। তাই এগুলো রক্তের কোলেস্টরের মাত্রা এবং আপনার হার্টের স্বাস্থ্য কোনদিন জন্যই মোটেই ভালো নয়। শালা এসব খাবারে বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রচুর লবন ও থাকে। অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপ ও স্টকের ঝুঁকি অনেক বাড়ি দেয়। দিনে মোট এক চা চামচ (৬ গ্রাম )এর বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়।

শেষ কথা 

ডায়াবেটিস হলেই ভয়ের কোন কারণ নেই। নির্ধারিত খাবার গ্রহণ করুন এবং সুস্থ থাকুন। পরিমিত খাবার গ্রহণের মাধ্যমে আপনি সুস্থ থাকতে পারেন। আজকের আর্টিকেলে আমরা আপনাদের জানাতে চেষ্টা করেছি কিভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় এবং কি কি ফল খাওয়া যায়। সে সম্পর্কে বিস্তারিত। আশা করছি উপরের সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়লে আপনি কিছু হলেও উপকারিতা পাবেন।

আমরা কখনই বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের আইসক্রিম বা মিষ্টি খাওয়ার পরামর্শ দেয় না। কোন খাবারকে ডায়াবেটিস খাবার বলা আসলে নীতিবিরুদ্ধ কারণ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ছাড়া এ ধরনের কোন খাবারে বিশেষ উপকার পাওয়া যায় এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমন আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গেই থাকুন। নিয়মিত ভিজিট করুন কমেন্ট করুন বন্ধুদের কাছে শেয়ার করুন।







এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url