বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত এবং সময় বাঁধাকপি চাষে মাটির বৈশিষ্ট্য

আরো পড়ুনঃ  রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী কালাই রুটি এবং কালাই রুটির বৈশিষ্ট্য 

বাঁধাকপি একটি শীতকালীন সবজি, এবং এর বৃদ্ধির জন্য ঠান্ডা ও আদ্র আবহাওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ বাঁধাকপি চাষের জন্য সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস সবচেয়ে উপযুক্ত।বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত সময় হল শীতকাল। বাংলাদেশের সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাঁধাকপি চাষ করা হয়ে থাকে। 

বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত  এবং সময় বাঁধাকপি চাষে মাটির বৈশিষ্ট্য

বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত সময় হল শীতকাল, যখন অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে ২০ বন্টন করা হয়। এই সবজির জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মাটি হলো উর্বর, জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ এবং ভালো জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ দোআঁশ বা পলি দোআঁশ মাটি।

পেজ সূচিপত্রঃ  বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত সময় এবং বাঁধাকপি চাষে মাটির বৈশিষ্ট্য 

বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত সময় 

বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত সময় হলেও মূলত শীতকাল, বিশেষ করে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস চারার রোপনের জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। কারণ এটি একটি শীতকালীন সবজি। আগুন চাষের জন্য বর্ষার শেষ হওয়ার আগেই পুলিশ তলায় যারা তৈরি করতে হয়, আর শীতের শেষের দিকে বা গ্রীস্মের শুরুতেই কিছু জাত চাষ করা যায়। দোআঁশ ও বলি দোআঁশ মাটি এর জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত সময় হলো ভাদ্র আশ্বিন (মধ্য আগষ্ট থেকে মধ্য অক্টোবর)মাস বীজ বপন করে কার্তিক (মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বর) মাসে জমিতে ছাড়া রোপন করা। শীত কালে এটি সবচেয়ে ভালো হয়, তবে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালেও সঠিক জাত ব্যবহার করে চাষ করা যায়।

বাঁধাকপি চাষে মাটির বৈশিষ্ট্য


বাঁধাকপি চাষের জন্য দোআঁশ ও বলি দোআঁশ মাটির সবচেয়ে ভালো, যেখানে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা আছে। ভালো মাটির PH ৬.০ থেকে ৭.০ এর মধ্যে থাকে। অত্যাধিক বেলে বা লাল মাটি এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ বাঁধাকপি আর্দ্র ঝরঝরে এবং জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ মাটিতে ভালো হয়, যা মাটির গঠন উন্নত করে এবং পুষ্টি উৎপাদন সরবরাহ নিশ্চিত করে। 

১। মাটির ধরনঃ দোআঁশ বা পলি দোআঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো।

২। জলের নিষ্কাশন ব্যবস্থাঃ জল জমার সমস্যা আছে এমন জমিতে চাষ করা উচিত নয় । ভালো ডিসকাশন ব্যবস্থা থাকা জরুরী। 

৩।PH মাত্রাঃ মাটির অম্লতা (PH ) ৬.০ থেকে ৭.০ এর মধ্যে থাকলে ভালো ফলন হয়। মাটির অম্লতা বেশি হলে ডলোমাইট চুন ব্যবহার করা যেতে পারে। 

৪। জৈব পদার্থঃ জৈব পদার্থের সমৃদ্ধ মাটি বাঁধাকপির জন্য অত্যন্ত উপকারী ।

৫। অতিরিক্ত বেলে মাটি বা খুব বেশি অম্লীয় লাল মাটি এড়িয়ে চলা ভালো। 

৬। মাটি যেন সবসময় আদ্র থাকে কিন্তু জল জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বাঁধাকপি চাষের জমি প্রস্তুত

বাঁধাকপি চাষাবাদের প্রধান কাজ হল জমি তৈরি করা। চাষাবাদের জমি তৈরির জন্য গভীরভাবে জমি চার থেকে পাঁচ বার চার্জ দিয়ে মাটির ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। এছাড়া শেষ চাষের সাথে জমিতে প্রয়োজনের সার সমানভাবে সিটির মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। জমি তৈরি হয়ে গেলে মাটি থেকে ১৫ থেকে ২০ সেমি উঁচু  ও এক মিটার চওড়া করে বেড তৈরি করে নিতে হবে। বেড থেকে বেডের মাঝখানে দূরত্ব কমপক্ষে ৩০ সেমি রাখতে হবে এবং বেডের মাঝে নাল রাখতে হবে। 

বাঁধাকপি চাষের জমি প্রস্তুতির জন্য গভীর চাষ ও মই দিয়ে মাটির ঝরঝরে করে আগাছা মুক্ত করতে হয়, দোআঁশ বা পলি দোআঁশ মাটি উত্তম। এবং জমি তৈরির পর ১৫ থেকে ২০ সেমি উঁচু ও এক মিটার চওড়া বেড তৈরি করে নানা রাখতে হয়। যা নিস্কাশন ও সার ব্যবস্থাপনার জন্য জরুরি।

বাঁধাকপি চাষের জন্য জলবায়ু

বাঁধাকপির জন্য শীতল ও আদ্র আবহাওয়া সব থেকে বেশি উপযোগী। যদি উচ্চ মাথার তাপমাত্রা বজায় থাকে, তখন ফলনের আর কমে যেতে পারে এবং কীড়ার আক্রমণের প্রতি অধিক মাত্রার সংবেদনশীল  হয়ে পড়ে। বাঁধাকপি বৃদ্ধির জন্য সর্বোত্তম তাপমাত্রা হলো ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাঁধাকপি শীতল আবহাওয়াতে খুবই রোগ প্রতিরোধ হয় এবং ফসলের কোন ক্ষতি  না করেই তা শুন্য ৩ ডিগ্রী নিচের তাপমাত্রাতেও দিব্যি বেঁচে থাকে। বাঁধাকপির অভিযোজন ক্ষমতা খুবই উচ্চ ধরনের এবং সারা বছর ধরেই বিভিন্ন অঞ্চলে তার জন্মে থাকে। প্রতিটি ফসলের জন্য ৩৮০ থেকে ৫০০ মিলি, পর্যন্ত জলের প্রয়োজন হতে পারে। ফসল বৃদ্ধির মরশুমে জল ব্যবহারের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।


বাঁধাকপি চাষের জন্য শীতল ও আদ্র জলবায়ু সবচেয়ে উপযোগী, যেখানে বৃদ্ধির জন্য ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় আদর্শ, উচ্চ তাপমাত্রা ফলন কমিয়ে দেয় এবং পোকার আক্রমণ বাড়ায়, তাই এটি গ্রীষ্মকালের তুলনায় শীতকালে বেশি ভালো হয়, এবং দোআঁশ বা পলি দোআঁশ মাটিতে চাষ করা যায়।

বাঁধাকপির বীজ সংরক্ষণ

বাঁধাকপি বীজ সংরক্ষণ করতে হলে, বিষ পরিপক্ক হলে ডানাপাড়া সংগ্রহ করুন, ছুটিগুলো শুকিয়ে তুষ আলাদা করুন এবং একটি শীতল শুষ্ক স্থানে রাখুন। এটি পাঁচ বছর পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। সংরক্ষণ এর আগে বীজ ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। এবং ক্রস পরাগায়ন এড়াতে অন্যান্য ব্রাশিকা জাত থেকে দূরে রাখতে হবে, কারণ বাঁধাকপি দ্বিবার্ষিক ( দ্বিতীয় বছরে ফুল ও বীজ হয়) । এবং বিভিন্ন জাতের মধ্যে পরাগায়ন হতে পারে। 

এটি অন্যান্য ব্রাশিকা ওলেরেসিয়া ফসলের সাথে সংযোগ স্থাপনে বাধা দেয়। ছুটি বাদামি এবং শুকিয়ে গেলে কিন্তু ভেঙে যাওয়ার আগে ফসল সংগ্রহ করুন। সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন, তারপর বেশ মাড়াই করুন এবং একটি ঠান্ডা, বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করুন। ঠাণ্ডা এবং শুকনো সংরক্ষণ করা হলে, বাঁধাকপির বীজ সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছর ধরে কার্যকর থাকে। 

বাঁধাকপির বীজ রোপন পদ্ধতি

বাঁধাকপি চাষের জন্য প্রথমে বীজতলায় চারা তৈরি করতে হয়। বীজ বপনের ৩০ থেকে ৩৫ দিন পর যখন চারা ৫ থেকে ৬ টি পাতাযুক্ত হয়, তখন বিকেলে মূল জমিতে রোপন করতে হয়, যা শাড়ি থেকে শাড়ি ৬০ সেমি এবং গাছ থেকে গাছ ৪০ সেমি দূরত্বই করা যায়। সঠিক সময়ে (ভাদ্র আশ্বিন মাস) বীজ বপন এবং উপযুক্ত জাত নির্বাচন বাম্পার ফলনের জন্য জরুরী 

বীজ বপনের ৩০ থেকে ১৫ দিন পর চারা রোপনের উপযুক্ত হয়। উত্তম রূপে জমি তৈরি করার পর ১৫ থেকে ২০ সেমি উঁচু এক মিটার প্রশস্ত বেড তৈরি করতে হয়। পাশাপাশি দুটি বেডের মাঝখানে ৩০ সেমি প্রশস্ত নালা রাখতে হবে। বেডের ওপর ৬০ সেমি দূরত্বে দুটি শাড়ি করে শাড়িতে ৪৫ সেমি দূরে দূরে চারা লাগাতে হয়।

বাঁধাকপির জমিতে সার প্রয়োগ

বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত  এবং সময় বাঁধাকপি চাষে মাটির বৈশিষ্ট্য

বাঁধাকপির জমিতে সার প্রয়োগের জমি তৈরির সময় জৈব সার (গোবর/কম্পোস্ট) ও টিএসপি সার মাটির সাথে মিশাতে হয়, আর ইউরিয়া ও এমঅপি সার চারা রোপনের ১০ থেকে ২৫ দিন এবং ৫০ দিন পর (মাথা গঠনের সময়) দুই থেকে তিন কিস্তিতে উপরে প্রয়োগ করতে হয়, সাথে হালকা সেচ দিতে হবে। সুষম সার প্রয়োগও সঠিক সময়ে প্রয়োগের উপর বাঁধাকপির ভালো ফলন ও মাথা গঠনের বিষয়টি নির্ভরশীল।

স্যারের নাম /সারের পরিমাণ/হেক্টরঃ 
  • ইউরিয়া ৩০০-৩৫০ কেজি 
  • টি এসপি ২০০-২৫০ কেজি 
  • এমপি ২৫০-৩০০ কেজি
  • গোবর ৫-১০ টন
শেষ চাষের সময় সবটুকু গোবর বা কম্পোস্ট, টিএসপি ও ১০০ কেজি এমপি সার জমিতে সমানভাবে সিটির মাঠের সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। সম্পূর্ণ ইউরিয়া ও বাকি এমপি সার তিন কিস্তিতে চারা রোপনের ১০ থেকে ২৫ এবং মাথা বাধার সময় প্রয়োগ করতে হবে। 

বাঁধাকপির জমিতে আগাছা দমন

বাঁধাকপির জমিতে আগাছা দমন এর জন্য হাতে নিড়ানি দেওয়া (বিশেষত চারা লাগানোর ২০ থেকে ২৫ দিন পর) আগাছা মুক্ত রাখতে নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ, এবং সার ও সেচের পর জো এলে আগাছা পরিষ্কার করে জরুরী। পাশাপাশি, জমি তৈরীর সময় গভীরভাবে চার্জ দিয়ে আগাছা দূর করা, শস্য আবর্তন, এবং জমিতে জল জমতে না দেওয়া আগাছা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

আগাছা দমনের পদ্ধতিঃ 

১। গভীর চাষ দিয়ে মাটির ঢেলা ভেঙ্গে আগাছা পরিষ্কার করে জমি তৈরি করুন। 

২। সারা রোপনের ২০ থেকে ২৫ দিন পর হালকা কোদাল দিয়ে মাটি আলগা করে আগাছা পরিষ্কার করুন। এটি শিকড় বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। 

৩।সেচ ও সার দেওয়ার পর মাটি যখন আদ্র থাকবে (জো আসা মাত্র) তখন নিড়ানি দিয়ে আগাছা তুলে ফেলুন। 

৪। জমিতে যাতে আগাছা জামাতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন এবং প্রয়োজনে আগাছা পরিষ্কার করুন। 

৫। হাড়ের মধ্যে সরিষা বা চাইনিজ বাঁধাকপির মত ফাঁদ ফসল লাগালে আগাছা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। 

৬। জমিতে যেন অতিরিক্ত পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন এবং কারন এটি আগাছার জন্ম কে উৎসাহিত করে। 

৭। রোগ ও আগাছার উপদ্রব কমাতে ফসল আবর্তন করুন। 

কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্তকতাঃ 

যদিও সরাসরি আগাছা নাশক ব্যবহারের তথ্য নেই, তবে প্রয়োজনে অনুমোদিত ছত্রাক নাশক ব্যবহার করতে পারেন। তবে, আগাছা নাশক ব্যবহারের আগে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিন, কারণ ভুল রাসায়নিক বাঁধাকবির ক্ষতি করতে পারে। 

এই পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করলে বাঁধাকপির জমিতে আগাছার প্রকল্প অনেক কমে যাবে এবং ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

বাঁধাকপির জমিতে পোকামাকড় ও রোগ বালায় দমন 

বাঁধাকপি একটি লাভ জনক সবজি। আগামৌসুমী বাঁধাকপি চাষ অধিক লাভজনক। কিন্তু এই লাভের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে বাঁধাকপির রোগ বালাই ও পোকামাকড় এর আক্রমণ। আপনি টাকা খরচ করেও অনেক পরিশ্রম করে বাঁধাকপি চাষ করলেন। আর বাঁধাকপি খেয়ে গেল পোকাই, তাহলে লাভ তো দূরের কথা আপনার খরচের টাকাটা উঠবে না। 

তাই আপনাকে আগে থেকে বাঁধাকপির রোগ বালাই ও পোকামাকড় দমন ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে হবে। তাহলে আপনি লাভবান হতে পারবেন। বাঁধাকপির গাছের রোগ হলে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। তাই রোগবালায় ও পোকামাকড় দমনের চেয়ে প্রতিকার ব্যবস্থা করাটা জরুরী। তাই আগে থেকে সতর্ক থেকে রূপ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

বাঁধাকপির যে সকল রোগবালাই হয়ে থাকে, সেগুলো হলো: পাতার দাগ পড়া রোগ, কালো পঁচা রোগ, যারা ধপ্সা রোগ, মাথা পচা বা গ্রে মোল্ড, ক্লাব রুট বা গদাই মূল,মোজেইক, পাতার আগা পোড়া, ইত্যাদি রোগ ও হয়ে থাকে।

বাঁধাকপির সবচাইতে বেশি ক্ষতি করে থাকে মাথা খেকো লেদা পোকা। নাবি জাতের বাঁধাকপির ক্ষতি করে পোকা বা ডায়মন্ড ব্যাক মথ। বীজ উৎপাদনের জন্য বাঁধাকপি চাষ করলে পুষ্প মঞ্জুরী জাব প্রকার হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। অন্যান্য ক্ষতিকর প্রকার মধ্যে ক্রসোডলমিয়া লেদা পোকা, বিচ্ছা পোকা, ঘোড়া পোকা ইত্যাদি ক্ষতি করে থাকে।

বাঁধাকপি তোলার সময়

বাঁধাকপি তোলার সঠিক সময় নির্ভর করে জাত ও আবহাওয়ার উপর, তবে সাধারণত চারা রোপনের 60 থেকে 100 দিনের মধ্যে (জাত ভেদে) এটি তোলা যায়, যখন মাথাগুলো শক্ত ও পূর্ণাঙ্গ হয়ে ওঠে এবং পাতাগুলো দৃঢ় থাকে , ফুল ফোটার আগেই বা কান্ড বের হওয়ার আগেই। শীতকালে এটি ভালো হয় এবং কৃষ্ণ বা বর্ষাকালে বিশেষ জাত ব্যবহার করা হয়। 
বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত  এবং সময় বাঁধাকপি চাষে মাটির বৈশিষ্ট্য


কখন তুলবেন? 

১। মাথা গঠনঃ যখন বাঁধাকপির মাথা শক্ত ভারী হয় ।

২। ফসল পরিপক্কঃ সাধারণত ৯ থেকে ১১ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় পর (জাত অনুযায়ী) হসন তোলার উপযুক্ত হয় ।

৩। সতর্কতাঃ ফুল বা বীজ আসা শুরু করলে (ডাটা বের হলে) তা তোলা উচিত নয়, কারণ তখন এটি খাওয়ার জন্য উপযুক্ত থাকে না। 

তোলার পদ্ধতিঃ 

১। সকালের দিকে বা ঠান্ডা আবহাওয়া তোলা ভালো। 

২। গাছের গোড়া থেকে সাবধানে পাতা ভাবলে দিয়ে কেটে নিতে হবে, যাতে মূল অংশ অক্ষত থাকে। 

৩। তোলার পর বাইরের অতিরিক্ত বা নষ্ট পাতাগুলো ফেলে দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

চারা বলার ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে বাঁধাকপির সংগ্রহ করা যায়। প্রতি শতকে ১৫০ থেকে ১৮০ কেজি হেক্টরে ৭৫ থেকে ৮০ টন ফলন হয়ে থাকে।

শেষ কথা 

বাঁধাকপি একটি শীতকালীন সবজি। শীতের মৌসুমে আমরা সকলেই বাঁধাকপি খেতে খুব পছন্দ করি। শীতকালে আমরা বাঁধাকপি খাই না এমন মানুষ নাই বললেই চলে। আজকে রাতে গেলে আমরা আপনাদের জানাতে চেষ্টা করেছি বাঁধাকপি চাষের উপযুক্ত সময় এবং বাঁধাকপি চাষের মাটির বৈশিষ্ট্য। আশা করি আজকের আর্টিকেল পড়ে আপনারা উপকৃত হয়েছেন। উপরের আলোচনা থেকে আপনারা বিস্তারিত তথ্য জানতে পেরেছেন।

প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে এমন তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন এবং কমেন্ট করে জানান আপনার মন্তব্য। আপনার মূল্যবান 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url